![]() |
||||||||||||
| বাংলা | প্রতীক | প্রতিস্ঠান | প্রতিষ্ঠাতা | পন্য_সামগ্রী | সনদপএ_সমূহ | ডিক্সন_মার্কেটিং | English | |||||
![]() |
গ্যানোডার্মা বা মাশরুম | |||||||||||
![]() |
মাশরুম একটি বিজ্ঞানসম্মত খাবার হলেও অধিকাংশ লোকের কাছে এটি অপরিচিত নাম। আমরা মাশরুমকে "ব্যাঙের ছাতা" বলেই চিনি। মূলতঃ মাশরুম গবেষণাগারে উদ্ভাবিত অঙ্কুর দ্বারা পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চাষ করা, সুস্বাদু পুষ্ঠিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন খাওয়ার। প্রতিকেজি শুকনো মাশরুম এক হাজার থেকে ১২শ' টাকায় বিক্রি হয়। বর্তমানে উন্নত দেশে মাশরুমের কদর অত্যন্ত বেশী। মাশরুম বাড়ীর আশেপাশে স্তস্তে স্থানে গাছের গোড়ায়, গভীর অরণ্যে মরা গাছের উপর জন্মায়। মাশরুম এক প্রকার ছত্রাক। একে গ্যানোডার্মা লুসিডাম বা গ্যানো বলা হয়। একে চীনা ভাষায় লিংঝি এবং জাপানী ভাষায় ঋষি বলা হয়। |
|||||||||||
![]() |
||||||||||||
| ডিক্সন গ্যানোডার্মা | ||||||||||||
| ভূমিকা | ||||||||||||
| মাশরুম কি? | ||||||||||||
| ডিক্সন গ্যানোডার্মা কি? | ||||||||||||
| গ্যানোথেরাপি | ![]() |
|||||||||||
| মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কি? | ||||||||||||
| ইসলামের দৃষ্টিতে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং |
GANO-Brightness DERMA-Skin LUCIDIUM-Shining |
|||||||||||
| কি ভাবে সদস্য হবেন? | ![]() |
গ্যানোডার্মা বা মাশরুমের প্রকারভেদ | ||||||||||
| নিবন্ধনের সুবিধা সমূহ কি? |
এই পৃথিবীতে ৩৮০০ জাতের গ্যানোডার্মা মাশরুম আছে। এর মধ্যে ২০০০ জাতের গ্যানোডার্মা মাশরুম খাদ্য রুপে ব্যবহার উপযোগী।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উন্নত | |||||||||||
| পণ্যের মূল্য তালিকা | ||||||||||||
| মানের হোটেলেএই গ্যানোডার্মা মাশরুমকেখাদ্য তালিকায় রেখেছে। | ||||||||||||
| যার কারণে বিভিন্ন দেশে গ্যানোডার্মা মাশরুম চাষাবাদ করে লাভবান হচ্ছে এবং বৈদেশীক মূদ্রা অর্জন করছে। ২০০ জাতের গ্যানোডারমা মাসরুমের মধ্যে ঔষধি গুন আছে। এর মধ্যে ৬ প্রজাতির লাল গ্যানোডার্মা মাশরুমের সবচেয়ে বেশী ঔষধি গুন আছে। এরা সাধারণত গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির অর্ন্তভূক্ত । ভেষজ (Herbal) বা ঔষধি গুন সম্পন্ন লাল গ্যানোডার্মা লুসিডাম মাশরুমের ৬টির নাম নিম্নে দেওয়া হল। যথাঃ Peacock Gano, kimshen Gan, LIver Gano, Heart Gano, Brain Gano, Ruyi Gano |
||||||||||||
![]() |
||||||||||||
| গ্যানোডার্মা বা মাশরুমের প্রাচীণ ইতিহাস | ||||||||||||
| কথিত আছে যে, সভ্যতার আদি কেন্দ্র গ্রীস, রোম ও চীনে শরীরের শক্তি ও দীর্ঘ জীবনের জন্য মাসরুমকে প্রয়োজনীয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হত। গ্যানোডার্মা মাশরুমের মধ্যে যে ভেষজ (Herbal) বা ঔষধি গুন আছে তা ৫০০০ বছরের ও বেশি সময় ধরে মানবজাতির কাছে পরিচিত যা প্রথম নথিবন্ধ হয় ২৮৩৪ খৃষ্টপূর্বে সেন নং চীনা ইতিহাসে। | ![]() |
|||||||||||
| ১০০ বৎসর পূর্ব থেকে তার ভেষজ গুন নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সেমিনার, প্রবন্ধ, এবং বই লিখা হচ্ছে যা বিভিন্ন দেশে সরকারী বা বেসরকারী প্রতিস্ঠানে প্রতিস্ঠীত। | ||||||||||||
| গ্যানোডার্মা মাশরুমের বিভিন্ন দেশে বানিজ্যীক ভাবে চাষাবাদ শুরু করেছে এবং এই গ্যানোডার্মা মাশরুমের দ্বারা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রতিস্ঠান বানিজ্যীক ভাবে ঔষধ, প্রসাধণী, খাদ্য, পণীয় ইত্যাদি উৎপাদন করছে। ১৯৭০ সালে চীন ও জাপান, ১৯৮০ সালে তাইওান এবং ১৯৮৩ সালে মালায়সিয়া বানিজ্যীক ভাবে চাষাবাদ ও ঔষধ, প্রসাধণী, খাদ্য, পণীয় সহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী উৎপাদন শুরু করেছে। | ![]() |
|||||||||||
| গ্যানোডার্মা মাশরুমের ভেষজ (Herbal) গুনাবলী ও উপকারিতা | ||||||||||||
সুএঃ সাপ্তাহিক ২০০০, ডিসেম্বর ২০০৪ |
||||||||||||
|
||||||||||||