![]() |
|||||||||||
| বাংলা | প্রতীক | প্রতিস্ঠান | প্রতিষ্ঠাতা | পন্য_সামগ্রী | সনদপএ_সমূহ | ডিক্সন_মার্কেটিং | |||||
![]() |
গ্যানোডার্মা মাশরুম দিয়ে রোগনিরাময় বা গ্যানোথেরাপিঃ | ||||||||||
![]() |
আমাদের শরীরেই আমাদের শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক। যদি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকে। এটি একটি সম্বন্নিত চিকিৎসা পদ্দতি। এটি সরাসরি কোন রোগ ভালো করে না, শরীরকে সূস্থ্য রাখতে সহায়তা করে, যাতে শরীর নিজস্ব ক্ষমতায় রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, সহায়ক চিকিৎসা (অন্য চিকিৎসা পদ্ধতির জন্যে সৌজন্য সহায়ক, তবে অন্য চিকিৎসার বিকল্প হিসাবে কাজ করে না) হিসাবে কাজ করে। |
||||||||||
| ডিক্সন গ্যানোডার্মা | |||||||||||
| ভূমিকা | |||||||||||
| মাশরুম কি? | |||||||||||
| ডিক্সন গ্যানোডার্মা কি? | |||||||||||
| গ্যানোথেরাপি | |||||||||||
| মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কি? | |||||||||||
| আর এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যই গ্যানোথেরাপি। গ্যানোথেরাপি সম্পর্কে জানার আগে আরো কিছু তথ্য জানা থাকা প্রয়োজন। |
|||||||||||
| ইসলামের দৃষ্টিতে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং |
|||||||||||
কেন মানুষ অসুস্থ (ILLNESS) হয়? প্রথমতঃ বিষ (Toxins) |
![]() |
||||||||||
| কি ভাবে সদস্য হবেন? | |||||||||||
| নিবন্ধনের সুবিধা সমূহ কি? |
|||||||||||
| পণ্যের মূল্য তালিকা | |||||||||||
| দ্বিতীয়তঃ শরীরের ভারসাম্যহীনতা BODY IMBALANCE যখন শরীরের অঙ্গ বা ইন্দ্রীয় সমূহ নির্ধারিত মাত্রায় কাজ করে না, তখন শরীর ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। দায়ী কিঃ মানসিক চাপ, জীবন-যাপন পদ্ধতি। |
|||||||||||
| গ্যানোথেরাপি (Ganotherapy): | |||||||||||
| গ্যানোডার্মা শরীরের ভিতর পাঁচটি ধাপে কাজ করে, প্রত্যেকটি কাজই আলাদা ভাবে হয়। যে পদ্বতিতে এই কার্যক্রম গুলি চলে তাকে গ্যানোথেরাপি বা গ্যানোডার্মা মাশরুম দিয়ে রোগনিরাময় পদ্বতি বলে। যার ফলে শরীরের প্রত্যেকটি কোষ উপযোগী লাভ করে। নিম্নে পাঁচটি ধাপ উল্লেখ করা হইল। |
|||||||||||
| ১। সূক্ষরুপে অজানা রোগ নির্নয় বা পর্যবেক্ষণকারী - ১-৩০দিন (Scanning Disease) | |||||||||||
| শারীরের কার্যকারিতার অসামঞ্জস্যতার কারণে রোগ হয়।ডিক্সএন গ্যানোডার্মা লুকায়িত রোগ চিহ্নিত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে। যে লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পায় সেগুলোকে বলা হয় Aliment Reflection বা নিরাময়ের পূর্বাভাস। প্রকাশিত লক্ষণ দেখে আক্রান্ত এলাকা নির্ধারণ করা যায়। এটাই হচ্ছে গ্যানোথেরাপির স্ক্যানিং পদ্ধতি। গ্যানোডার্মার স্ক্যানিং করার ক্ষমতা বিশাল, কারণ পানিতে দ্রবনীয়, জৈব দ্রবনীয় এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল উপাদান সমুহ বিদ্যমান বলেই। এই কার্যক্রম চলাকালে শরীরের ভিতর বিষক্রিয়া এবং রোগের উপসর্গ গুলি পরীক্ষা করে।গ্যানোথেরাপি নেওয়ার ৫-৭ দিন থেকে এর কাজ শুরু করে ৬ সপ্তাহের মধ্যে গ্যানোডার্মা মানব দেহের জীবকোষের মধ্যে প্রবেশ করে দেহের বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক কার্যপ্রনালীর অপূর্নতা বা ত্রুটি সনাক্ত করে এবং কি কি রোগ শরীরে আছে তা শরীরের বাহিরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতঙ্গের (চোখ, নাক, কান, মুখ ইত্যাদি) মাধ্যমে তা প্রকাশ করে। |
|||||||||||
| ২। বিষক্রিয়া পরিস্করন বা পরিশোধন করন ১-৩০ সপ্তাহ (Cleansing Toxin/Detoxification) | |||||||||||
ইউরিক এসিড, অতিরিক্ত কলেস্টরেল, অতিরিক্ত চর্বি, ক্যালসিয়ামের আধিক্য, দুষিত কলা, রাসায়নিক দ্রব্যের আধিক্যে শরীরে বিষ জমা হয়। ডিক্সএন গ্যানোডার্মা উল্লেখিত বিষগুলোকে শরীর থেকে বের করার ক্ষমতা রাখে।যেভাবে দেহ থেকে বিষ বের করেঃ
বিষক্রিয়া পরিশোধন প্রক্রিয়া চলার সময় দেহে গরম ও পিপাসা অনুভুত হতে পারে। এর মানে দেহে বিষগুলিকে বের করার জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। |
|||||||||||
| ৩। শরীরের কার্যক্রম গুলি নিয়ন্ত্রিত করা ১-১২ মাস (Regulating Body Functions) | |||||||||||
| সামঞ্জস্যতা রক্ষা করে দেহকে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়। নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সময় অনেক রকম প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ দেখা যায়। যা রোগ নিরাময় হবার এটাই লক্ষণ, এ নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। নিয়মিত ডিক্সএন গ্যানোডার্মা সেবন বা গ্যানোথেরাপি চালিয়ে যেতে হবে। যদি লক্ষণ গুলি খুবই জটিল হয় তবে ডোজ কমাতে হবে। লক্ষণ কমলে আবার পূর্বের ডোজে ফিরে আসতে হবে। কমলে যাতে আরো জটিল না হতে পারে সে জন্যে সেবন চালিয়ে যাতে হবে। এই কার্যক্রম চলাকালে শরীরের কোষ এবং বিভিন্ন অঙ্গ প্রতঙ্গের কাজ স্বাভাবিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। | |||||||||||
| ৪। নিশ্চিত আরোগ্য লাভ করা বা নির্মাণ করণ ৬-২৪ মাস (Ensuring Recovery of Helth/Building) | |||||||||||
| গঠন ও নিরাময়ের ক্ষমতার বলে দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের আঘাত বা ক্ষত সারতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শারীরিক শক্তি ও মানসিক শান্তি বৃদ্ধি করে। দেহের প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করে যেমন খনিজ ট্রাইটার পেনয়েডস বা দেহের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে। এই কার্যক্রম চলাকালে শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সমূহকে পূর্ণগঠন করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। | |||||||||||
| ৫। যৌবনকে সংরক্ষণ করা বা পুনরুজ্জীবিত করণ ১-৩ বৎসর (Preserving Youthfulness/Regenerating) | |||||||||||
| ডিক্সএন গ্যানোডার্মা ব্যবহার করার এটাই হচ্ছে আসল উদ্দেশ্য। পুরো গ্যানোথেরাপি পদ্ধতিটা আমাদের শরীরে কাজ করে তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে, যা সত্যিকারের যৌবন ধরে রাখে চেহারায়, শক্তি দিয়ে এবং শান্তি দিয়ে। এইটি চলমান প্রক্রিয়া যা শরীরের সংক্রামন মুক্ত পদ্বতিতে কাজ করে এবং স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসে। যার ফলে আপনি রোগমুক্ত সূস্থ্য জীবন লাভ করবেন। | |||||||||||
| নোটঃ গ্যানোথেরাপি বা গ্যানোডার্মার কার্যকারিতার সময়সীমা ও শরীরের অবস্থার উপর নির্ভর করে। | |||||||||||
|
|||||||||||